রাজশাহী মহানগরীর পরিবহন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, জনদুর্ভোগ কমানো এবং সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে পরিবহন মালিক সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ (আরএমপি)।
সম্প্রতি আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন আরএমপির পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির। সভায় অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি, কার-মাইক্রো, হিউম্যান হলার, মিশুক ও লেগুনা মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা অধিযাচনকৃত যানবাহনের চালকদের বিশ্রামের ব্যবস্থা, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং পরিবহন খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, পুলিশ নির্ধারিত নীতিমালা ও বিধিবিধানের আওতায় পরিচালিত হয়। তাই সব বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব না হলেও উত্থাপিত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং যৌক্তিক সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, যত্রতত্র যানবাহনের স্ট্যান্ড স্থাপন করে সড়কে যানজট সৃষ্টি করা যাবে না। জনসাধারণের চলাচলে বিঘœ ঘটে এমন কার্যক্রম পরিহার করে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
অ্যাম্বুলেন্স সেবার বিষয়ে পুলিশ কমিশনার মালিকদের নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রোগী ও তাদের স্বজনদের যেন কোনো ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মুখোমুখি হতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সচেতন থাকতে হবে।
সভায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় দুটি সেবাকাউন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। প্রস্তাবিত কাউন্টার দুটির একটিতে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির প্রতিনিধি এবং অন্যটিতে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশ কমিশনার আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রোগী ও তাদের স্বজনরা নির্ধারিত ভাড়ায়, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত পরিবেশে সহজেই অ্যাম্বুলেন্স সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
গোরহাঙ্গা রেলগেটকে মহানগরীর অন্যতম যানজটপ্রবণ এলাকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ এলাকায় যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে সিএনজি স্ট্যান্ড পরিচালনাকারী প্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। এ লক্ষ্যে সিএনজি মালিকদের নির্ধারিত পোশাকধারী স্বেচ্ছাসেবক প্রতিনিধি নিয়োগের আহ্বান জানান তিনি। এসব প্রতিনিধি ট্রাফিক পুলিশের সহায়ক হিসেবে কাজ করবেন, যা যানজট নিরসন ও যানবাহন ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় উপস্থিত মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা জনস্বার্থে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় আরএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ফিন্যান্স), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম-চলতি দায়িত্বে), উপ-পুলিশ কমিশনার (ফোর্স), উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি), আরএমপির মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ও সিটিটিসি)সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সম্প্রতি আরএমপি সদর দপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন আরএমপির পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ফয়েজুল কবির। সভায় অ্যাম্বুলেন্স, সিএনজি, কার-মাইক্রো, হিউম্যান হলার, মিশুক ও লেগুনা মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
সভায় মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা অধিযাচনকৃত যানবাহনের চালকদের বিশ্রামের ব্যবস্থা, জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং পরিবহন খাতের বিভিন্ন সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরেন। জবাবে পুলিশ কমিশনার বলেন, পুলিশ নির্ধারিত নীতিমালা ও বিধিবিধানের আওতায় পরিচালিত হয়। তাই সব বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব না হলেও উত্থাপিত বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে এবং যৌক্তিক সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, যত্রতত্র যানবাহনের স্ট্যান্ড স্থাপন করে সড়কে যানজট সৃষ্টি করা যাবে না। জনসাধারণের চলাচলে বিঘœ ঘটে এমন কার্যক্রম পরিহার করে সুশৃঙ্খল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
অ্যাম্বুলেন্স সেবার বিষয়ে পুলিশ কমিশনার মালিকদের নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রোগী ও তাদের স্বজনদের যেন কোনো ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত আর্থিক চাপের মুখোমুখি হতে না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সচেতন থাকতে হবে।
সভায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে সিটি কর্পোরেশনের সহযোগিতায় দুটি সেবাকাউন্টার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েও আলোচনা হয়। প্রস্তাবিত কাউন্টার দুটির একটিতে অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমিতির প্রতিনিধি এবং অন্যটিতে পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পুলিশ কমিশনার আশা প্রকাশ করেন, এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে রোগী ও তাদের স্বজনরা নির্ধারিত ভাড়ায়, স্বচ্ছ ও হয়রানিমুক্ত পরিবেশে সহজেই অ্যাম্বুলেন্স সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।
গোরহাঙ্গা রেলগেটকে মহানগরীর অন্যতম যানজটপ্রবণ এলাকা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ এলাকায় যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করতে সিএনজি স্ট্যান্ড পরিচালনাকারী প্রতিনিধিদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। এ লক্ষ্যে সিএনজি মালিকদের নির্ধারিত পোশাকধারী স্বেচ্ছাসেবক প্রতিনিধি নিয়োগের আহ্বান জানান তিনি। এসব প্রতিনিধি ট্রাফিক পুলিশের সহায়ক হিসেবে কাজ করবেন, যা যানজট নিরসন ও যানবাহন ব্যবস্থাপনাকে আরও কার্যকর করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় উপস্থিত মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা জনস্বার্থে গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
এ সময় আরএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ফিন্যান্স), অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম-চলতি দায়িত্বে), উপ-পুলিশ কমিশনার (ফোর্স), উপ-পুলিশ কমিশনার (সিটিএসবি), আরএমপির মুখপাত্র ও উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম ও সিটিটিসি)সহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মোঃ মাসুদ রানা রাব্বানী :